ইসরায়েলি বর্বরতায় রক্ষা পায়নি ৮ মাসের শিশুটিও !

  

Eight-month-old Palestinian baby ‘dies from tear gas inhalation’ after ‘massacre’ at border

 

ইসরায়েলি বর্বরতায় রক্ষা পায়নি ৮ মাসের শিশুটিও !

 

গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৮ মাসের শিশুটিও রেহাই পেল না! এক ফিলিস্তিনি মা প্রাণহীন শিশুকন্যাকে বুকে নিয়ে অঝোরে কাঁদছিলেন।

 

বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, ইসরায়েলি সেনাদের কাঁদানে গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায় শিশুটি।

 

জানা যায়, ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত নিরপরাধ ফিলিস্তিনির মধ্যে ১৬ বছরের কম ৮টি শিশুও রয়েছে। যাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়স ছিল লাইলার। শিশুটি সবে আট মাসে পা দিয়েছিল।

 

এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘে এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়াও চীন। তাছাড়া, ইসরাইলি সেনাদের এ হত্যাকাণ্ড মানবাধিকারের সর্বোচ্চ লঙ্ঘন এবং তা যুদ্ধাপরাধ বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

শিশু লাইলার’র ব্যাপারে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তর উদ্বোধনের সময় বিক্ষোভে ইসরাইলি কাঁদানে গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিশুটি মারা গেছে।

 

ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলিতে ফিলিস্তিনিদের নিহত হওয়ার পর তুরস্ক এ ঘটনাকে হত্যাযজ্ঞ বলে বর্ণনা করেছে। আর মিশর অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে।

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার জেইদ বিন রাদ জেইদ আল হুসেইন বলেছেন, যারা এ জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

 

এ ব্যাপারে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুসালেমে সরিয়ে নেওয়ার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের উপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালায়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই গাজা-ইসরায়েল সীমান্তে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ চলছে।

 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। কিন্তু ইউরোপসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

 

তেল আবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুসালেমে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনিরা এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে আসছে

 

আরও পড়ুণঃ”তাসফিয়া”র মৃত্যুতে এখন সন্দেহের তীর আদনানের বন্ধু সোহেলের দিকে!

 

ift.tt/2IKc4nu